শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে সরকার সবসময় থাকবে: ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু

আরবিসি নিউজ
আরবিসি নিউজ
১১ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫১ অপরাহ্ন
মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে সরকার সবসময় থাকবে: ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু

স্টাফ রিপোর্টার : শিক্ষাই একটি জাতির উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি। কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে এখনও অনেক মেধাবী শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে। সেই বাস্তবতায় মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের শিক্ষার পথ সুগম করতে সরকার ধারাবাহিকভাবে বৃত্তি ও আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে বলে জানিয়েছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ভূমিমন্ত্রী ও রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মিজানুর রহমান মিনু, এমপি।

শনিবার (১১ জুলাই) সকালে নগরীর মনিচত্বরস্থ রাজশাহী জেলা পরিষদ মিলনায়তনে জেলা পরিষদের উদ্যোগে মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের মাঝে এককালীন শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামীর বাংলাদেশ গড়বে। তাই মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় কোনো প্রতিবন্ধকতা যেন না থাকে, সে লক্ষ্যেই সরকার বিভিন্ন ধরনের শিক্ষাবৃত্তি ও সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। শিক্ষায় বিনিয়োগই দেশের ভবিষ্যতে বিনিয়োগ।”

তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে কোনো শিক্ষার্থী মেধা বিকাশের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে না। মেধা ও যোগ্যতার যথাযথ মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি এবং সামাজিক সংগঠনগুলোকেও শিক্ষার প্রসারে আরও কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

বর্তমান সময়ে উচ্চশিক্ষার ব্যয় বৃদ্ধি এবং পারিবারিক আর্থিক চাপের কারণে অনেক শিক্ষার্থী শিক্ষাজীবন চালিয়ে যেতে হিমশিম খাচ্ছে। এমন প্রেক্ষাপটে সরকারি ও স্থানীয় পর্যায়ের বৃত্তি কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ শুধু শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তাই নয়, তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে এবং ঝরে পড়ার হার কমাতেও কার্যকর ভূমিকা রাখে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. এরশাদ আলী (ঈশা)। তিনি বলেন, রাজশাহী জেলা পরিষদ ভবিষ্যতেও মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের পাশে থাকবে এবং শিক্ষাবান্ধব কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ, রাজশাহী রেঞ্জের উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ শাহজাহান,  রাজশাহীর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ফাতিমা, সহকারী প্রকৌশলী মো. আল আমীন মল্লিক, উপসহকারী প্রকৌশলী এ. কে. এম. আনোয়ার হোসেনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সুধীজন।

অনুষ্ঠানে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফলকারী ৪শত ৮২ জন শিক্ষার্থীকে ৫ হাজার টাকা করে মোট ২৪ লাখ ১০ হাজার টাকা বৃত্তি প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানের শেষে প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিরা নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের হাতে এককালীন শিক্ষাবৃত্তির চেক তুলে দেন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রত্যাশা, এ ধরনের সহায়তা কর্মসূচি আরও বিস্তৃত হলে মেধাবী কিন্তু আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষার পথে আরও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যেতে পারবে।

rbcnewsbd.com
শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে সরকার সবসময় থাকবে: ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু

মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে সরকার সবসময় থাকবে: ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু

স্টাফ রিপোর্টার : শিক্ষাই একটি জাতির উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি। কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে এখনও অনেক মেধাবী শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে। সেই বাস্তবতায় মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের শিক্ষার পথ সুগম করতে সরকার ধারাবাহিকভাবে বৃত্তি ও আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে বলে জানিয়েছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ভূমিমন্ত্রী ও রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মিজানুর রহমান মিনু, এমপি।

শনিবার (১১ জুলাই) সকালে নগরীর মনিচত্বরস্থ রাজশাহী জেলা পরিষদ মিলনায়তনে জেলা পরিষদের উদ্যোগে মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের মাঝে এককালীন শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামীর বাংলাদেশ গড়বে। তাই মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় কোনো প্রতিবন্ধকতা যেন না থাকে, সে লক্ষ্যেই সরকার বিভিন্ন ধরনের শিক্ষাবৃত্তি ও সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। শিক্ষায় বিনিয়োগই দেশের ভবিষ্যতে বিনিয়োগ।”

তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে কোনো শিক্ষার্থী মেধা বিকাশের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে না। মেধা ও যোগ্যতার যথাযথ মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি এবং সামাজিক সংগঠনগুলোকেও শিক্ষার প্রসারে আরও কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

বর্তমান সময়ে উচ্চশিক্ষার ব্যয় বৃদ্ধি এবং পারিবারিক আর্থিক চাপের কারণে অনেক শিক্ষার্থী শিক্ষাজীবন চালিয়ে যেতে হিমশিম খাচ্ছে। এমন প্রেক্ষাপটে সরকারি ও স্থানীয় পর্যায়ের বৃত্তি কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ শুধু শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তাই নয়, তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে এবং ঝরে পড়ার হার কমাতেও কার্যকর ভূমিকা রাখে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. এরশাদ আলী (ঈশা)। তিনি বলেন, রাজশাহী জেলা পরিষদ ভবিষ্যতেও মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের পাশে থাকবে এবং শিক্ষাবান্ধব কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ, রাজশাহী রেঞ্জের উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ শাহজাহান,  রাজশাহীর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ফাতিমা, সহকারী প্রকৌশলী মো. আল আমীন মল্লিক, উপসহকারী প্রকৌশলী এ. কে. এম. আনোয়ার হোসেনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সুধীজন।

অনুষ্ঠানে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফলকারী ৪শত ৮২ জন শিক্ষার্থীকে ৫ হাজার টাকা করে মোট ২৪ লাখ ১০ হাজার টাকা বৃত্তি প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানের শেষে প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিরা নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের হাতে এককালীন শিক্ষাবৃত্তির চেক তুলে দেন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রত্যাশা, এ ধরনের সহায়তা কর্মসূচি আরও বিস্তৃত হলে মেধাবী কিন্তু আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষার পথে আরও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যেতে পারবে।