মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গোদাগাড়ী থেকেই প্রতিদিন প্রায় ২০ কোটি লিটার শোধিত পানি যাবে রাজশাহী নগরীতে

আরবিসি নিউজ
আরবিসি নিউজ
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৮ পূর্বাহ্ন
গোদাগাড়ী থেকেই প্রতিদিন প্রায় ২০ কোটি লিটার শোধিত পানি যাবে রাজশাহী নগরীতে

স্টাফ রিপোর্টার : পদ্মার পানি শোধন করে এবার সরাসরি রাজশাহী নগরীতে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গোদাগাড়ীতে নির্মাণ করা হচ্ছে আধুনিক ভূ-উপরিস্থ পানি শোধনাগার। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে প্রতিদিন প্রায় ২০ কোটি লিটার শোধিত পানি সরবরাহ করা সম্ভব হবে রাজশাহী মহানগরী ও আশপাশের এলাকায়।

জানা গেছে, গোদাগাড়ী উপজেলার সারেংপুর-জোত-গোসাইদাস এলাকায় পদ্মা ও মহানন্দা নদীর মিলনস্থলের কাছে নির্মিত হচ্ছে এই বিশাল পানি শোধনাগার। রাজশাহী ওয়াসার উদ্যোগে বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ সহযোগিতায় বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটির ব্যয় প্রায় ৪ হাজার ৬২ কোটি টাকা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের আওতায় শোধনাগার থেকে নগরীতে পানি পৌঁছে দিতে নির্মাণ করা হচ্ছে প্রায় ২৬ কিলোমিটার ট্রান্সমিশন পাইপলাইন। এর পাশাপাশি থাকবে ৪৮ কিলোমিটার প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি বিতরণ লাইন এবং বুস্টার পাম্প স্টেশন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমানে রাজশাহী নগরীর পানির চাহিদার বড় একটি অংশ পূরণ হয় ভূগর্ভস্থ পানি থেকে। পদ্মার পানি শোধন করে সরবরাহ শুরু হলে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমবে। একই সঙ্গে নগরবাসীর জন্য বাড়বে নিরাপদ ও মানসম্মত পানির সরবরাহ।

একদিকে পদ্মার পানি, অন্যদিকে আধুনিক শোধন প্রযুক্তি। সবকিছু ঠিকঠাক এগোলে ২০২৭ সালের মধ্যেই রাজশাহীবাসী পেতে পারেন এই প্রকল্পের সুফল।

অর্থাৎ, গোদাগাড়ীর পদ্মাপাড় থেকে শোধিত হয়ে প্রতিদিন কোটি কোটি লিটার পানি ছুটবে রাজশাহী নগরীর মানুষের ঘরে ঘরে।

rbcnewsbd.com
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গোদাগাড়ী থেকেই প্রতিদিন প্রায় ২০ কোটি লিটার শোধিত পানি যাবে রাজশাহী নগরীতে

গোদাগাড়ী থেকেই প্রতিদিন প্রায় ২০ কোটি লিটার শোধিত পানি যাবে রাজশাহী নগরীতে

স্টাফ রিপোর্টার : পদ্মার পানি শোধন করে এবার সরাসরি রাজশাহী নগরীতে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গোদাগাড়ীতে নির্মাণ করা হচ্ছে আধুনিক ভূ-উপরিস্থ পানি শোধনাগার। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে প্রতিদিন প্রায় ২০ কোটি লিটার শোধিত পানি সরবরাহ করা সম্ভব হবে রাজশাহী মহানগরী ও আশপাশের এলাকায়।

জানা গেছে, গোদাগাড়ী উপজেলার সারেংপুর-জোত-গোসাইদাস এলাকায় পদ্মা ও মহানন্দা নদীর মিলনস্থলের কাছে নির্মিত হচ্ছে এই বিশাল পানি শোধনাগার। রাজশাহী ওয়াসার উদ্যোগে বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ সহযোগিতায় বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটির ব্যয় প্রায় ৪ হাজার ৬২ কোটি টাকা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের আওতায় শোধনাগার থেকে নগরীতে পানি পৌঁছে দিতে নির্মাণ করা হচ্ছে প্রায় ২৬ কিলোমিটার ট্রান্সমিশন পাইপলাইন। এর পাশাপাশি থাকবে ৪৮ কিলোমিটার প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি বিতরণ লাইন এবং বুস্টার পাম্প স্টেশন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমানে রাজশাহী নগরীর পানির চাহিদার বড় একটি অংশ পূরণ হয় ভূগর্ভস্থ পানি থেকে। পদ্মার পানি শোধন করে সরবরাহ শুরু হলে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমবে। একই সঙ্গে নগরবাসীর জন্য বাড়বে নিরাপদ ও মানসম্মত পানির সরবরাহ।

একদিকে পদ্মার পানি, অন্যদিকে আধুনিক শোধন প্রযুক্তি। সবকিছু ঠিকঠাক এগোলে ২০২৭ সালের মধ্যেই রাজশাহীবাসী পেতে পারেন এই প্রকল্পের সুফল।

অর্থাৎ, গোদাগাড়ীর পদ্মাপাড় থেকে শোধিত হয়ে প্রতিদিন কোটি কোটি লিটার পানি ছুটবে রাজশাহী নগরীর মানুষের ঘরে ঘরে।