• বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪, ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শীর্ষ সংবাদ
জেন্ডার সংবেদনশীল প্রতিবেদনে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের পুরস্কার পেলেন ৩ সাংবাদিক এক্সরে রেজিস্ট্রারের হাতের লেখা স্পষ্ট করতে বললেন ঔষধাগারের পরিচালক রাজশাহীতে নাগরিক সমস্যা সমাধানে মাল্টি-পার্টি এ্যাডভোকেসি ফোরামের গোলটেবিল বৈঠক সংসদে অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে নারী এমপিদের বিশেষ আইন প্রণয়নের আহ্বান প্রশ্ন শুনেই রেগে বেফাঁস মন্তব্য, সাংবাদিকদের তোপের মুখে রাজশাহী-১ আসনের এমপি ফারুক চৌধুরী  রাজশাহীর পবায় ফারুক, মোহনপুরে আফজাল হলেন উপজেলা চেয়ারম্যান রাজশাহীতে শ্বশুরবাড়ি থেকে ১০ আগ্নেয়াস্ত্রসহ জামাই গ্রেফতার দেশে কোন রাজনৈতিক মামলা হয় না: অ্যাটর্নি জেনারেল ইউপি চেয়ারম্যান থেকে উপজেলা চেয়ারম্যান হলেন বেলাল উদ্দিন সোহেল রাজশাহীর তানোরে ময়না, গোদাগাড়িতে সোহেল চেয়ারম্যান নির্বাচিত

ডাবল সেঞ্চুরিতে বিশ্ব রেকর্ড মায়ার্সের

Reporter Name / ৩৭৭ Time View
Update : রবিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

আরবিসি  ডেস্ক : জয়ের জন্য দরকার মাত্র ১১ রান। কাইল মায়ার্সের ব্যক্তিগত মাইলফলকে দরকার ১ রান। তাতেই যে হবে ইতিহাস। ক্রিকেট ইতিহাসের কোনও ব্যাটসম্যান অভিষেকে চতুর্থ ইনিংসে ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকাতে পারেননি। চট্টগ্রাম মায়ার্স ইতিহাস গড়লেন, লিখলেন অনবদ্য এক কাব্য। নাঈম হাসানের বল অফ সাইডে ঠেলে ১ রান নিলেন মায়ার্স। ১৯৯ থেকে বাঁহাতি ব্যাটসম্যান পৌঁছে গেলেন ডাবল সেঞ্চুরিতে।

এর আগে অভিষেকে পাঁচ ব্যাটসম্যান ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন। কেউ প্রথম ইনিংসে, কেউ বা দ্বিতীয় ইনিংসে। তৃতীয় ইনিংসেও কারও ডাবল সেঞ্চুরি নেই, চতুর্থ ইনিংসে তো নয়ই। মায়ার্স এই জায়গায় নিজের নাম তুললেন, যেখানে তিনি অদ্বিতীয়। শেষবার বাংলাদেশের বিপক্ষে অভিষেকে ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন জ্যাক রুডলফ। ২০০৩ সালে চট্টগ্রামেই ২২২ রান করেছিলেন প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান। এর আগে অভিষেকে ডাবলের স্বাদ পেয়েছেন টিপ ফস্টার (২৮৭), লরেন্স রোয়ে (২১৪), ম্যাথু সিনক্লেয়ার (২১৪) ও ব্রেন্ডন কুরুপ্পু (২০১)।

ম্যাচ পরিস্থিতি বিবেচনায় অসাধারণ, অনবদ্য। দল যখন খাদের কিনারায় তখন প্রতি আক্রমণে মায়ার্স এলোমেলো করলেন বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ। তাতে চট্টগ্রামে রচিত হলো মায়ার্স কাব্য। ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটার মানেই রক্তে মিশে আছে হার না মানা মনোবল, জয়ের চোয়ালবদ্ধ প্রতিজ্ঞা। মায়ার্সের ব্যাটে ফুটে ওঠে সব। চতুর্থ দিন শেষে ৩৭ রানে অপরাজিত ছিলেন মায়ার্স।

আজও শুরু থেকে দারুণ ব্যাটিং করেন তিনি। দিনের প্রথম ঘণ্টায় তুলে নেন ফিফটি। ৮৯ বলে ফিফটি পেয়েছিলেন। তিন অঙ্কে যেতে খেলেন আরও ৮৯ বল। সেঞ্চুরি থেকে ডাবলে যেতে খেললেন আরও ১২৫ বল। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রায় প্রতিটি দলের খেলোয়াড়দের একাধিক ক্রিকেটার অভিষেক মঞ্চ রাঙিয়েছেন তিন অঙ্ক দিয়ে। ওয়েস্ট ইন্ডিজেরও তাই।

মায়ার্সের আগে আরও ১৩ ক্রিকেটার সেঞ্চুরিতে অভিষেক রাঙিয়েছেন। তবে উপমহাদেশে অভিষেক রাঙানো বরাবরই কঠিন। তাইতো রেকর্ডের পাতাটাও তিনজনে সীমাবদ্ধ। কিংবদন্তি গর্ডন গ্রিনিজ ১৯৭৪ সালে বেঙ্গালুরুতে অভিষেকে ভারতের বিপক্ষে ১০৭ রান করেন। পরের বছর লেন বাইচান লাহোরে পাকিস্তানের বিপক্ষে করেছিলেন ১০৫ রান।

আরবসি/৭ ফেব্রুয়ারী/ রোজি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category