• শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ০৩:২০ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শীর্ষ সংবাদ
জেন্ডার সংবেদনশীল প্রতিবেদনে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের পুরস্কার পেলেন ৩ সাংবাদিক এক্সরে রেজিস্ট্রারের হাতের লেখা স্পষ্ট করতে বললেন ঔষধাগারের পরিচালক রাজশাহীতে নাগরিক সমস্যা সমাধানে মাল্টি-পার্টি এ্যাডভোকেসি ফোরামের গোলটেবিল বৈঠক সংসদে অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে নারী এমপিদের বিশেষ আইন প্রণয়নের আহ্বান প্রশ্ন শুনেই রেগে বেফাঁস মন্তব্য, সাংবাদিকদের তোপের মুখে রাজশাহী-১ আসনের এমপি ফারুক চৌধুরী  রাজশাহীর পবায় ফারুক, মোহনপুরে আফজাল হলেন উপজেলা চেয়ারম্যান রাজশাহীতে শ্বশুরবাড়ি থেকে ১০ আগ্নেয়াস্ত্রসহ জামাই গ্রেফতার দেশে কোন রাজনৈতিক মামলা হয় না: অ্যাটর্নি জেনারেল ইউপি চেয়ারম্যান থেকে উপজেলা চেয়ারম্যান হলেন বেলাল উদ্দিন সোহেল রাজশাহীর তানোরে ময়না, গোদাগাড়িতে সোহেল চেয়ারম্যান নির্বাচিত

ইন্টারনেটে কিছুই সুরক্ষিত নয়!

Reporter Name / ১০৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

আরবিসি ডেস্ক : ইন্টারনেটে ডাটা কখনোই শতভাগ সুরক্ষিত নয়। ইন্টারনেটে প্রায় সব কিছুই হ্যাক করা সম্ভব। কিন্তু চাইলে আপনি নিজের তথ্য ও ডাটা সুরক্ষার বেড়াজালে বন্দি রাখতে পারেন। সম্প্রতি ৩০০ কোটি জিমেইল ও হটমেইল পাসওয়ার্ড লিক হয়ে যাওয়ার ঘটনা সামনে এসেছে তা আগামী দিনে আরও দেখতে পাওয়া যাবে। কারণ মনে রাখবেন একটা শ্রেণি যেমন সাইবার সিস্টেমকে উন্নত করার জন্য বিভিন্ন সিকিউরিটি গার্ড আনছে, নানা ধরণের সফটওয়ার নিয়ে আসছে, ঠিক তেমনই আরেকটা শ্রেণি এই সিকিউরিটির দরজা ভাঙার জন্য নানা ধরণের গবেষণা করে চলেছে। সাইবার সিকিউরিটির লেয়ার ভেঙে কীভাবে ভেতরে ঢোকা যায়, তাঁর চেষ্টা প্রতিনিয়ত চালানো হচ্ছে।

অনেকেই অন্যের সিস্টেম হ্যাক করে তার গোপন তথ্য দেখার পিছনে একটা মজা পেয়ে থাকে। ইন্টারনেটে যে একটা নিরাপত্তার অভাব আছে তা সবাই জানে।

পৃথিবীর অনেকে দেশেই ডাটা প্রটেকশন আইন রয়েছে। যাতে উল্লেখ আছে, যদি কারও সিস্টেম থেকে ডেটা লিক হয়ে যায়, তাহলে তার সমস্ত গ্রাহককে জানাতে হবে সমস্যার কথা। পাশাপাশি ক্ষতির তালিকা গ্রাহককে পাঠাতে হবে। এছাড়াও ডেটা গুলোকে পুনরায় ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব থাকবে কোম্পানির। যদি তারা ব্যর্থ হয়, তাহলে তার ক্ষতিপূর্ণ দিতে হবে গ্রাহককে।

ডেটা সুরক্ষিতভাবে রাখতে না পারে, তাহলে তার ক্ষতিপূরণ দেবে সংস্থা। গুগলের যে পাসওয়ার্ড লিক হয়ে গিয়েছে, যার মারফত যদি গ্রাহকদের কোনও ক্ষতি হয় তাহলে দায় নিতে হবে গুগলকে। কিন্তু, গ্রাহকদের কাছে যেটি খুবই অ্যালার্মিং তা হল বিভিন্ন জায়গায় এথিকাল হ্যাকার্সের কোর্স হয় বা বিভিন্ন ভিডিও থেকেও হ্যাক করা শেখানো হয়। যা সহজে ইউটিউবে পাওয়া যায়। কিন্তু এটা কতটা এথিকাল তার হিসেব কে রাখছে? শেখার পর তারা কোথায় যাচ্ছে? জানা নেই। তাদের একাংশ কোনও সংস্থার আওতায় থাকে না। তাহলে সে দিকটা কীভাবে দেখা হবে?

আরবিসি/১৬ ফেব্রুয়ারী/ রোজি

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category