• শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ০৫:১০ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শীর্ষ সংবাদ
জেন্ডার সংবেদনশীল প্রতিবেদনে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের পুরস্কার পেলেন ৩ সাংবাদিক এক্সরে রেজিস্ট্রারের হাতের লেখা স্পষ্ট করতে বললেন ঔষধাগারের পরিচালক রাজশাহীতে নাগরিক সমস্যা সমাধানে মাল্টি-পার্টি এ্যাডভোকেসি ফোরামের গোলটেবিল বৈঠক সংসদে অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে নারী এমপিদের বিশেষ আইন প্রণয়নের আহ্বান প্রশ্ন শুনেই রেগে বেফাঁস মন্তব্য, সাংবাদিকদের তোপের মুখে রাজশাহী-১ আসনের এমপি ফারুক চৌধুরী  রাজশাহীর পবায় ফারুক, মোহনপুরে আফজাল হলেন উপজেলা চেয়ারম্যান রাজশাহীতে শ্বশুরবাড়ি থেকে ১০ আগ্নেয়াস্ত্রসহ জামাই গ্রেফতার দেশে কোন রাজনৈতিক মামলা হয় না: অ্যাটর্নি জেনারেল ইউপি চেয়ারম্যান থেকে উপজেলা চেয়ারম্যান হলেন বেলাল উদ্দিন সোহেল রাজশাহীর তানোরে ময়না, গোদাগাড়িতে সোহেল চেয়ারম্যান নির্বাচিত

সংক্ষিপ্ত হচ্ছে প্রাথমিকের সিলেবাস

Reporter Name / ১১৬ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৮ মার্চ, ২০২১

আরবিসি ডেস্ক : করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তবে আগামী ৩০ মার্চ খুলে দেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ চলছে। তবে চলতি বছর তিন মাস পিছিয়ে পড়ায় প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের বার্ষিক সিলেবাস রিভিউ করে কিছুটা সংক্ষিপ্ত করা হচ্ছে। চিন্তা-ভাবনা চলছে প্রথম সাময়িক পরীক্ষা বাতিল করারও। প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা নিয়ে পরবর্তী ক্লাসে তোলা হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের (ডিপিই) মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম বলেন, ২০২০ সালের প্রায় অধিকাংশ সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। চলতি বছরও তিন মাস পর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা হচ্ছে। যেহেতু আমাদের তিন মাস পার হয়ে গেছে, তাই সিলেবাস কিছুটা সংক্ষিপ্ত করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, বিদ্যালয় খোলার পর প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে একদিন এবং প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ছয়দিন ক্লাস নেয়া হবে। শিক্ষকরা ক্লাসে কী পড়াবেন, কীভাবে পড়াবেন না, কোন বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেবেন— এ জন্য একটি লেসন প্ল্যান (পাঠ পরিকল্পনা) ও শিক্ষক নির্দেশিকা গাইড তৈরি করা হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) এবং জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তককে (এনসিটিবি) দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। ক্লাস শুরুর আগে পাঠ পরিকল্পনা ও নির্দেশিকার ওপর শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে বলেও জানান ডিপিই মহাপরিচালক।

গত এক বছর পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় পাঠ্যপুস্তকের কিছু অধ্যায় নতুন বছরের সিলেবাসে যুক্ত করা হচ্ছে। এ বছরের ক্লাস অনুযায়ী কম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বাদ দিয়ে পড়ানো হবে। এই সিলেবাস শেষ করে শিক্ষার্থীদের সাময়িক পরীক্ষা নেয়া হবে। কীভাবে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস পড়ানো হবে সে বিষয়ে পাঠ পরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরবর্তী ক্লাসে উত্তীর্ণ করতে ছয়মাস পরপর বছরে দুটি সাময়িকী পরীক্ষা নেয়া হয়ে থাকে। এসব পরীক্ষায় যারা পাস করে তাদের পরবর্তী ক্লাসে তোলা হয়। গত এক বছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় পরীক্ষা ছাড়াই তাদের অটোপাস দিয়ে পরবর্তী ক্লাসে তোলা হয়েছে।

এদিকে, আগামী ৩০ মার্চ প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলার ঘোষণা দেয়া হলেও বর্তমানে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এ কারণে বিদ্যালয় খোলার সিদ্ধান্ত পিছিয়ে যেতে পারে। প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা হলেও প্রথম সাময়িক পরীক্ষা না নেয়ার চিন্তা-ভাবনা চলছে। শুধু দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা নিয়ে পরবর্তী ক্লাসে তোলা হতে পারে।

এনসিটিবির সদস্য (প্রাথমিক শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ কে এম রিয়াজুল হাসান বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ পরিকল্পনা হিসেবে শিক্ষক নির্দেশনা তৈরির কাজ শুরু করা হয়েছে। এ বিষয়ে দক্ষতা অর্জনে ভার্চুয়াল মাধ্যমে দেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়ে ওরিয়েন্টশনের (কর্মশালা) আয়োজন করা হবে। প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে একদিন কী পড়াবেন, পঞ্চম শ্রেণির পিইসি পরীক্ষার প্রস্তুতি কী হবে— সেসব বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। ক্লাসে শিক্ষকরা সে বিষয়গুলো অনুসরণ করে পাঠদান করাবেন।

তিনি বলেন, নেপ ও এনসিটিবি যৌথভাবে এ ওরিয়েনটেশনের কাজটি করবে। শিক্ষক নির্দেশিকায় একজন শিক্ষক করোনা পরবর্তী সময়ে কীভাবে ক্লাসে পড়াবেন, তার একটি গাইডলাইন থাকবে। সেখানে বিষয়ভিত্তিকভাবে স্পষ্ট করে বলে দেয়া হবে, শিক্ষক ক্লাসে কোন অধ্যায়গুলোকে গুরুত্ব দেবেন এবং তা কীভাবে পড়াবেন। একই সঙ্গে একটি বিষয়ে বেশি প্রয়োজনীয় নয় এমন বিষয়গুলো না পড়িয়ে রিলেটেড (সম্পর্কিত) একটি অধ্যায়ের সঙ্গে অন্য অধ্যায়ের কাছাকাছি আছে এমন বিষয়কে একসঙ্গে পড়াতে নির্দেশনা দেয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব গোলাম মো. হাসিবুল আলম বলেন, আগামী ৩০ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলে এ সময়ের মধ্যে বিদ্যালয়ে ক্লাস শুরু করা হবে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় গত বছর সিলেবাসের অনেক বিষয় পড়ানো সম্ভব হয়নি। গত বছরের গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় চলতি বছর যুক্ত করা হচ্ছে। তবে তিন মাস ক্লাস না হওয়ায় চলতি বছর প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের প্রথম সাময়িক পরীক্ষা নেয়াটা কঠিন হয়ে পড়বে।

আরবিসি/১৮ মার্চ/ রোজি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category